Beta version

মান্নার জামিন নিয়ে নতুন কোন ষড়যন্ত্র সহ্য করা হবে না

ঢাকা- কারাগারে আটক নাগরিক ঐক্যের আহবায়ক মাহমুদুর রহমান মান্নার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা বলেছেন, বিনা বিচারে কারাগারে আটক নাগরিক ঐক্যের আহবায়ক মাহমুদুর রহমান মান্নার জামিন নিয়ে নতুন আর কোন ষড়যন্ত্র সহ্য করা হবে না।
শনিবার সকালে নগরীর নিকুঞ্জস্থ দলীয় কার্যালয়ে মান্নার মুক্তি দাবীতে বাংলাদেশ নিউ জেনারেশন পার্টি-বিএনজিপি আয়োজন করে এক মুক্ত আলোচনা সভার।
সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএনজিপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি জাহিদ ইকবাল ।

bngp manna news pic03
সভায় বক্তারা বলেন, মান্নাকে গুলশান থানায় করা সেনা বিদ্রোহে উস্কানির মামলায় জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। এ পর্যন্ত দুটি মামলাতেই জামিন পেলেও একটি মামলার জামিন আপিল বিভাগের আদেশে স্থগিত রয়েছে। ফলে তিনি এখনই কারামুক্ত হচ্ছেন না।
বক্তারা বলেন, প্রায় দুই বছর হতে চললো সরকারের ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলায় আটক মাহমুদুর রহমান মান্না। দেশের সুপ্রতিষ্ঠিত একজন রাজনীতিবিদ হওয়া স্বত্তেও তাকে কোন ডিভিশন দেয়া হয়নি। জেলখানায় মানবেতর জীবনযাপন করতে হচ্ছে তাকে। শুধুমাত্র প্রতিহিংসার রাজনীতির কারনে কারাগারে পর্যাপ্ত চিকিৎসা সেবা মান্নাকে দেয়া হয়নি ।
আলোচনা সভায় সরকারকে উদ্দ্যেশ্য করে বক্তারা বলেন, মান্নার জামিন নিয়ে আর কোন নতুন ষড়যন্ত্র তালবাহানা না করে তার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা ও হয়রানিমূলক সকল মামলা অনতিবিলম্বে প্রত্যাহার করে তাকে মুক্তি দিন।

bngp manna news pic 02
বক্তারা আরো বলেন, কোনরকম অজুহাতে তাকে আর কারাগারে আটকে রাখার চেষ্টা করবেন না।
সভায় দলের অন্যান্য কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, সহ-সভাপতি ইন্জিনিয়ার আরাফাত মাহমুদ,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. সাইফুল ইসলাম, নূর আলম সিদ্দিকী মানু, সাংগঠনিক সম্পাদক মো.মনির হোসেন,দপ্তর সম্পাদক জাহিদ ফয়সাল,কিরন আহমেদ, জয়নাল আবেদীন, কাজী মেহেদী হাসান, আব্দুর রাজ্জাক,নাইম হাসান চৌধুরী,মো: সেলিম,জাহিদ ফয়সাল, জাকিরুল ইসলাম, রনি ইমরান,শাজাহান আলী সুমন প্রমুখ।
উল্লেখ্য,মাহমুদুর রহমান মান্না বর্তমানে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার পার্ট-২ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ২০১৫ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি গভীর রাতে বনানীর এক আত্মীয়ের বাসা থেকে সাদা পোশাকের পুলিশ মান্নাকে আটক করে। ১৮ ঘণ্টা নিখোঁজের পর তাকে পরদিন পুলিশ গ্রেফতার দেখায়। ওই দিনই তার বিরুদ্ধে দুটি রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা করা হয়। দুই মামলায় তাকে ২০ দিন রিমান্ডে নিয়ে নির্যাতনের ১৩ দিন পর গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি করা হয়। এরপর অবশ্য তার রিমান্ড বাতিল হয়। জানা যায়, হাঁটু ও মেরুদণ্ডের ব্যথা, হার্টে ব্লক, ডায়াবেটিসসহ নানা রোগে জর্জরিত মান্না। ডিভিশন দেওয়া হয়নি ডাকসু ও চাকসুর সাবেক এই ভিপিকে। কারাগারে তার জায়গা হয়েছে মেঝেতে। রিমান্ডে নেওয়ার পর একাধিকবার অসুস্থ হয়ে পড়েন মান্না। তার হার্টে তিনটি ব্লক ধরা পড়েছে। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় চোখে স্প্লিন্টার লাগায় তাকে লেন্স ব্যবহার করতে হয়।

image_pdfimage_print
Tags: